ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত ‘জুলাই ৩৬ : এক ফালি রোদ—শোক ও বিজয় ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। এ জন্য বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক শক্তিকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের মুক্তির সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। সেই সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি। গণতান্ত্রিক ধারাকে সুসংহত করতে হলে সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া উল্লেখ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, এটি একদিনে কিংবা অল্প সময়ে অর্জন করা সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।
বিএনপির আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলন হয়েছে। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দলের অঙ্গীকারের কথা বারবার তুলে ধরছেন। তবে এসব লক্ষ্য অর্জনে সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দুই দিন, দুই মাস কিংবা দুই বছরে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তাই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
দেশের সংস্কৃতি ও শিক্ষার ওপর দীর্ঘদিনের আক্রমণের কথা উল্লেখ করে আবদুস সালাম বলেন, কোনো জাতির সংস্কৃতি ও শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলে সেই জাতির অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়ে। তাই সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পুনরুজ্জীবন ও বিকাশে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক বিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্ট্যালিন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক কাজী জেসিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।