ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কোনো স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ক্ষমতায় আসেনি। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারকে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাই বর্তমান সময়কে তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সমাজে এমন কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী রয়েছে যারা বুদ্ধিবৃত্তিক বা আদর্শিক অবস্থান থেকে ফ্যাসিবাদকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রয়োজনে সামাজিকভাবে বয়কটেরও প্রয়োজন রয়েছে।
আন্দালিভ রহমান পার্থ আরও বলেন, কেউ যদি চিন্তা-চেতনার ক্ষেত্রে স্বৈরাচারী মানসিকতাকে সমর্থন করেন, সেটি তার ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা। তবে সেই কর্মকাণ্ড যদি রাষ্ট্রদ্রোহিতার পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তাহলে সামাজিক প্রতিরোধের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ কয়েকটি স্থানে কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিলের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, এসব সিদ্ধান্ত নিরাপত্তাজনিত কারণে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কাজ করছে।