ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি কি ১০ নম্বর বউ হতে পারি? জীবনে বহুত টিকটক করেছি, এখন আপনাকে বিয়ে করে যদি জান্নাতে যেতে পারি। জান্নাতে যাওয়ার সুযোগটা করে দেন প্লিজ।’
পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টটিতে ১ হাজার ৬০০–এর বেশি প্রতিক্রিয়া, ৪০৯টি মন্তব্য এবং ২২টি শেয়ার দেখা গেছে। মন্তব্যের ঘরে এ নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা। কেউ বিষয়টিকে হাস্যরস হিসেবে দেখেছেন, আবার কেউ সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন।
এই ঘটনার পর মাওলানা হাবিবুর রহমান মিছবাহের ব্যক্তিগত জীবন ও একাধিক বিয়ের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় আসে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে যৌতুক দাবির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২০ আগস্ট মিছবাহের পঞ্চম স্ত্রী দাবি করা মোসা. হুমায়রা জান্নাত ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের ৪ মে হুমায়রা জান্নাতের সঙ্গে মিছবাহের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিছবাহ’ নামে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের সময় মিছবাহ তার পূর্ববর্তী চারটি বিয়ের তথ্য গোপন করেছিলেন। পরে হুমায়রা জানতে পারেন, তাকে ছাড়াও মিছবাহ আরও কয়েকটি বিয়ে করেছেন। মামলায় দাবি করা হয়েছে, মোট নয়টি বিয়ের তথ্য পাওয়া গেছে এবং এসব বিয়ের কোনোটি যথাযথ কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়নি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ বি এম ইবরাহিম খলিল জানান, হুমায়রা জান্নাতকে মিছবাহের পঞ্চম স্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার দাবি, পরবর্তীতে মিছবাহ আরও চারটি বিয়ে করেছেন, ফলে মোট নয়টি বিয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মাওলানা হাবিবুর রহমান মিছবাহের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।