ঢাকা | ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট–পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় প্রায় ৫০ লাখ টাকা

Deleted
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 1, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: সংগ্রহীত ছবির ক্যাপশন: সংগ্রহীত
ad728


মডার্ন টেলিভিশন ডেস্ক: ব্যয় সংকোচনের নীতির অংশ হিসেবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস উপলক্ষে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী বাজেট–পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের প্রায় ৫০ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বাজেট পাসের পর জাতীয় সংসদ ভবনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নৈশভোজ আয়োজনের প্রস্তুতি ছিল। তবে সরকারি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তা বাতিলের নির্দেশ দেন। সাধারণত এ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নিয়ে থাকেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও জানান, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন বাবদ প্রতিবছর ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় হতো। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ কোটি টাকাও বিভিন্ন সময়ে ব্যয় করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ২০১৮–১৯ অর্থবছরে এ খাতে মোট ব্যয় হয়েছিল ৩০ কোটি ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫ টাকা।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে খাবার সরবরাহের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের কাছে আগের সরকারের সময়ের বিপুল অঙ্কের পাওনা এখনও বকেয়া রয়েছে। বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে সেই অর্থ পরিশোধ করছে।

আতিকুর রহমান রুমনের ভাষ্য অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি আপ্যায়ন ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন ব্যয় হয়েছে ১১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। এছাড়া দুই ঈদ উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে আপ্যায়ন বাবদ প্রায় ৯০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পাসের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেও জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সকাল পৌনে ১০টায় জাতীয় সংসদে উপস্থিত হয়ে অধিবেশনের শুরু থেকেই কার্যক্রমে অংশ নেন। বাজেটের মঞ্জুরি দাবি, ভোটাভুটি এবং আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিরতির সময়ও তিনি দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন। মঙ্গলবার বিভিন্ন মঞ্জুরি দাবি নিষ্পত্তির পর বিকেলে জাতীয় সংসদ সর্বসম্মতিক্রমে বাজেটটি পাস করে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : Deleted

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ